Author: অনুসন্ধান নিউজ
সুদের টাকা শোধ করতে না পারায় কুমিল্লার চান্দিনায় আলী আকবর (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে আড়াই ঘণ্টা ধরে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বোরহান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই বর্বর নির্যাতনের অভিযোগ। রসুলপুর গ্রামেরই বাসিন্দা আলী আকবর তার ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য প্রায় দুই বছর আগে বোরহানের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ঋণ নেন। বোরহান এই টাকার বিপরীতে সুদসহ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে আসছিলেন। ভুক্তভোগীর ছেলে ইব্রাহীম…
খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া হাজী ইসমাইল মার্কেটে গতরাতে ঘটে যায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো মার্কেটে। এতে প্রায় ১৯টি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুন প্রথমে একটি দোকান থেকে ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের দোকানগুলোতে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এতটাই ভয়াবহ রূপ নেয় যে, ব্যবসায়ীরা নিজেদের দোকান থেকে কোনো মালামালই বের করতে পারেননি। স্থানীয়রা পানি ও বালতি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে মাটিরাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল, সেনাবাহিনী, বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।…
জমির উদ্দিন: ভারতের প্রতিটি পাহাড়ে সেনার দাপট চলছে। কাশ্মীর, লাদাখ, নাগাল্যান্ড, আসাম কিংবা মণিপুর-যেখানেই যান, সেনা ক্যাম্প, বাঙ্কার আর পাহাড়ের প্রতিটি গিরিপথে চেকপোস্ট চোখে পড়বে। শুধু কাশ্মীরেই সাত লাখ সেনা অবস্থান করছে। কেবল ভারত নয়, চীন, পাকিস্তান, নেপালেও রয়েছে সেনার উপস্থিতি। অথচ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা উপস্থিতি নিয়েই বারবার তোলা হচ্ছে প্রশ্ন। এখানে কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ছত্রছায়ায় কিছু পাহাড়ি নেতা প্রতিনিয়ত ‘সেনা হটাও’ স্লোগান দিচ্ছেন। এতে যোগ দিচ্ছে দেশের তথাকথিত বামপন্থি ও সুশীল সমাজের কিছু অংশও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারত নিজের পাহাড়ে সেনা নামিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনের নামে রক্ত ঝরাতে দ্বিধা করে না। কাশ্মীরে প্রতিদিন গড়ে সাত-আটজন নিহত হচ্ছে সেনা…
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান নিয়ে গঠিত এই পার্বত্য অঞ্চল কেবল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। এখানে বসবাসরত উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী আজ থেকে কয়েকশো বছর পূর্বে এ অঞ্চলে আসে। তারা কেউ ভারত থেকে, কেউ মিজোরাম, কেউ মায়ানমার, কেউ ত্রিপুরা, কেউবা তিব্বত ও মঙ্গোলিয়া থেকে অভিবাসী হয়ে এসে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী আশ্রয় নেয়। ইতিহাসবিদগণও একমত যে, রোহিঙ্গাদের মতোই এই জনগোষ্ঠী মূলত বাইরের অঞ্চল থেকে অভিবাসী হয়ে এসে এখানে বসতি স্থাপন করে। ফলে তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, পোশাক, আচার-আচরণ ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সাথে…
প্রাণ চাঞ্চল্যতায় ফিরছে খাগড়াছড়ি। বাড়ছে সাধারণ মানুষের চলাচল। হাট বাজার ও দোকান পাট খুলেছে। যানবাহন ছেড়ে যাচ্ছে রুটে। আজ সকাল থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে পরিস্থিতি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের সমাগমসহ সড়কে ব্যস্ততা বাড়ে। গত কয়েকদিনের থমথমে পরিস্থিতিতে মানুষের মাঝে থাকা উদ্বেগের ছাপ কাটছে। তবে এখন পর্যন্ত জেলা সদর, পৌর এলাকা এবং গুইমারা উপজেলায়১৪৪ ধারা জারি আছে। পরিস্থিতির পুরোপুরি উন্নতি ঘটলে তোলা হবে ১৪৪ ধারা। মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থা ফেরাতে কাজ করছে প্রশাসন। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ কয়েকস্তরের নিরাপত্তা জোরদার আছে এখনো। চেক পোস্টে চলছে তল্লাশি কার্যক্রম। এদিকে, সহিংসতা, হামলা, ভাংচুরের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে জানিয়েছে পুলিশ…
পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে। এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে…
খাগড়াছড়ির গুইমারায় সহিংসতার ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। আহত ও নিহতদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে ডিসি এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার বলেন, এ সহিংসতায় যারা নিহত ও আহত হয়েছে আমরা তাদের পরিবারের পাশে থাকব। যারা চিকিৎসাধীন আমরা তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেব। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সমবেদনা জানানোর জন্য আজকে আমরা এখানে এসেছি। তিনি আরও বলেন, অবরোধকারীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তাদের যে ৮ দফা রয়েছে তার মধ্যে আমরা ৭টা অ্যাড্রেস করেছি। আমরা চাই আলোচনার টেবিলে বিষয়টির সমাধান…
১৯৯৭ সালের দোসরা ডিসেম্বর তৎকালীন বাংলাদেশের সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সাথে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে স্বাক্ষরিত হওয়া পার্বত্য শান্তিচুক্তি দেশের ইতিহাসে সবসময়ই বিতর্কিত ছিলো। এ চুক্তিই পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত নানা জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে বিভাজনের দেয়াল তৈরী করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত মানুষেরা মনে করেন, এ চুক্তি জনগণের মতামত উপেক্ষা করে কেবল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার্থে সম্পাদিত হয়। ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে তা নতুন বৈষম্য, অশান্তি ও বিভাজনের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সংবিধানের মূল ভিত্তি হলো, সব নাগরিকের সমান অধিকার, সমঅধিকার ও নিরাপত্তা। কিন্তু ১৯৯৭ সালের চুক্তি সংবিধানের বাইরে গিয়ে সেই নীতিকে দুর্বল করে দিয়েছে।…
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যুদ্ধ বন্ধের জন্য ২০ দফা সম্বলিত একটি বিস্তারিত প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাৎক্ষণিকভাবে এই প্রস্তাবে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে ইসরায়েল গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে প্রস্তাবের মূল পক্ষ, গাজা-ভিত্তিক স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, তিনি শুনতে পাচ্ছেন যে হামাসও এই প্রস্তাবে সম্মত হবে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যদি হামাস এই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়, তবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের হাতে থাকা ইসরায়েলি জীবিত ও মৃত সব…
রাজধানীর আফতাব নগরে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম (আসল নাম আশরাফুল আলম) হামলার শিকার হয়েছেন। সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, রাত ৯টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার বিষয়টি হিরো আলমের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে রাত ১০টা ১৬ মিনিটে নিশ্চিত করা হয়। পেজে জানানো হয়, “আফতাব নগরে হিরো আলমের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। “সূত্র মতে, হামলাকারীরা কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে এসে তাকে মারধর করে এবং পরে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হিরো আলমের স্ত্রী রিয়া মনি…
