খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা বলেছেন, লাইব্রেরি হলো মানুষের জ্ঞানের ভাণ্ডার। যেকোনো বয়সের মানুষ লাইব্রেরিতে গিয়ে নিজের পছন্দের বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার দীঘিনালা উপজেলার রাজেন্দ্র কার্বারি পাড়ায় “পহর লাইব্রেরি” এর আয়োজনে এবং “কামিনি রঞ্জন ত্রিপুরা স্মৃতি ফাউন্ডেশন” শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মানে এবং আলোকিত জীবন ও সমাজ গড়তে আগে আমাদের উন্নত চিন্তাধারা ও ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করতে হবে। যার কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে লাইব্রেরি। তিনি “পহর লাইব্রেরির” বিগত সময়ে কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়ে লাইব্রেরির কার্যক্রম নিয়মিত করতে এবং পাঠকপ্রিয়তা বাড়াতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় তিনি, লাইব্রেরির প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বই ও সরঞ্জাম কেনার জন্য অর্থও প্রদান করেন।
সভায় পহর লাইব্রেরির সভাপতি খনেশ্বর ত্রিপুরার সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গবেষক ড. হরিপূর্ণ ত্রিপুরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুজেন্দ্র মল্লিকা মডার্ণ কলেজের অধ্যক্ষ সাধন ত্রিপুরা, ৩১ নং বোয়ালখালী মৌজার হেডম্যান ত্রিদিব রায় পোমাং, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যান সংসদ দীঘিনালা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হরলাল ত্রিপুরা, দীঘিনালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মহাসিন মিয়া সহ আরও অনেকেই।
ইতিবাচক মানসিক পরিবর্তন, আলোকিত জীবন ও সমাজ গঠনে নিয়মিত বই পড়া এবং উন্নত চিন্তাধারার বিকল্প নেই উল্লেখ করে লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা সহ বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন বক্তারা। সভায় ৮ জন শিক্ষার্থীকে “কামিনি রঞ্জন ত্রিপুরা স্মৃতি ফাউন্ডেশন” থেকে শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হয় এবং শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

