খাগড়াছড়ির রামগড় থেকে শ্যালিকাকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আপন ভগ্নিপতি। ঘটনার ২৭ দিনপর পুলিশের হাতে আটক হয় দুলাভাই। উদ্ধার হয়েছে অপহৃত শ্যালিকা।
জনা গেছে, গত ২২ জুন সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটের সময় রামগড় গনিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার সামনে রামগড়-বারৈয়ারহাট রাস্তার উপর হতে অপহৃত হন ছাত্রী (১৩)। বাড়ি না ফেরায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর রামগড় থানায় নিখোঁজ ডায়রী করেন মা সালেহা খাতুন। অপহৃত ভিকটিম রামগড় গনিয়াতুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার ছাত্রী ওই দিন মাদ্রাসার উদ্দেশ্য বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে।
পুলিশ ও মামলার এজহারে জানা নায়, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার ২৭ দিন পর রবিবার ১৯ জুলাই রামগড়ের সোনাইপুল বাজার হইতে অপহৃত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। মেয়েকে উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে থানায় এসে মেয়ের সাথে কথাবার্তা বলে জানিতে পারে ভিকটিমের আপন ভগ্নিপতি সাকিবুল ইসলাম রাজু প্রেমের ফাঁদে ফেলে ওইদিন মাদ্রাসার সামনে থেকে কৌশলে অপহরণ করে ঢাকা উত্তরায় নিয়া যায়। সেখানে অজ্ঞাত একটি ভাড়া বাসায় শ্যালিকাকে আটক রেখে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
আটক সাকিবুল ইসলাম রাজু (২৯) রামগড় উপজেলার ১নং রামগড় ইউনিয়নের লামকুপাড়ার বাসিন্ধা সাইদুল ইসলামের ছেলে ও অপহৃত ধর্ষিতার আপন বড় বোনের স্বামী।
রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর থেকে আসামী মোবাইলসহ ইন্টারনেট ভিক্তিক সব ডিভাইস বন্ধ রাখে। দীর্ঘ চেষ্টার পর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়। অপহৃতের মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে মামলা করে। পরে আসামীকে রামগড় এলাকা থেকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে ফেরন করা হয়েছে।

