ধুমধাম করেই মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছিলেন বাবা। চলছিল বাড়িতে মেহমানের খানাপিনার। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় ভেঙে গেল নাবালিকা কনের বিয়ে। ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী মেয়ের বিয়ের আয়োজন করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা গুনতে হয়েছে কনের বাবাকে।
রবিবার (৯ আগষ্ট) বেলা ২ টা ৩০ মিনিটের সময় খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলাধীন ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নের থলিপাড়া এলাকায় বাল্য বিবাহ বন্ধ করে জরিমানা ও মুছলেকা নিয়ে সতর্ক করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিন আল জান্নাত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া একটি মেয়ের বাল্য বিবাহ হচ্ছে মর্মে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে তৎক্ষণাৎ বাল্য বিবাহটি বন্ধ করেন এবং কনের বাবা মোঃ মহিন উদ্দিন মানিক (৩৮) কে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান সহ দুই পক্ষের অভিভাবক থেকে মুচলেকা নিয়ে ভবিষ্যতের জন্যে সতর্ক করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক দ্বিন আল জান্নাত বলেন, নাবালিকা মেয়েটির বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কনের বয়স ১৩ বছরের সত্যতা পাওয়ায় আদালতের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে কনের বাবাকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সরকারি আইন অনুযায়ী মেয়েদের ১৮ বয়সের নিচে বিয়ে দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া যাবে না।

