খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও জরুরী আইন উপেক্ষাকরে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ ঘটিকায় গুইমারা উপজেলার খাদ্য গুদামের সামনে অবরোধ কারীরা রাস্তায় জড়ো হয়ে টায়ার জালিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।
এরআগে গতকাল বেলা ২ টা থেকে খাগড়াছড়ি পৌরসভা, সদর উপজেলা ও বিকেল ৩ টা থেকে গুইমারা উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। যা এখন পর্যন্ত তা বলবৎ রয়েছে।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে হাজির হলে অবরোধ কারীদের পক্ষথেকে ইট-পাটকেল ছুঁরে গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সিন্দোকছড়ি জোন উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ মাজহার হোসেন রাব্বানী সহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১ সদস্য, পুলিশ৩ সদস্যসহ ১ সাংবাদিক আহত হন।
এসময় দায়িত্বরত সাংবাদিকের উপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে বিজয় টিভির জেলা প্রতিনিধি এম সাইফুর রহমান গুরুতর আহত হন। সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার গুইমারা উপজেলায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহীনি টহল রয়েছে।
জনা গেছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জেলা সদরের সিঙ্গিনালা এলাকায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় শয়ন শীল (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জুম্ম ছাত্র-জনতার ব্যানারে শনিবার সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধের ডাক দেওয়া হয়। অবরোধ চলাকালে বিভিন্নস্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও টায়ারে আগুন দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করা হয়। আলুটিলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ও নারানখাইয়া এলাকায় একটি অটোরিকশা ভাঙচুর করা হয়।
রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ডাক দেওয়া হলেও পরে তা প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়। কিছুক্ষণ পর আবারও অবরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা আসে।

