সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার একটি এলাকায় ৩৩৬ পরিবার বাঙালি সেটলার বসতি স্থাপন করা হয়েছে- এমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
কথিত অনলাইন পেইজ “সিএইচটি নিউজজ” এর একটি পোস্টে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি যাচাই করতে সেনাবাহিনী একটি বিশেষ আধিপত্য বিস্তার অভিযান পরিচালনা করে।
সেনা সূত্রে জানা যায়, পরিচালিত অভিযানে মহালছড়ি উপজেলার কায়ংঘাট এলাকায় সরেজমিন অনুসন্ধান করা হয়। এ সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে।
অভিযানে দেখা যায়, অভিযোগে উল্লেখিত “উগুদোছড়ি” নামে ওই এলাকায় বাস্তবে কোনো স্থানের অস্তিত্ব নেই। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও জোরপূর্বক বাঙালি পরিবার বসতি স্থাপনের ঘটনারও সত্যতা পাওয়া যায়নি।
সেনা কর্মকর্তারা জানান, ওই এলাকায় বসবাসকারী বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বর্তমানে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে কোনো ধরনের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিরও অস্তিত্ব নেই।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো এই তথ্যটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা হতে পারে।
এ বিষয়ে সেনা সূত্র আরও জানায়, ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে কিছু ভারতীয় নাগরিকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি-সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের গুজব ও অপপ্রচার সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

